মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মিষ্টি আলু চাষে হাসি ফুটেছে কৃষক সেলিম মিয়ার মুখে জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী অমর একুশে বইমেলায় লিমনের দু’টি নতুন গল্পগ্রন্থ প্রকাশ প্রশাসনের সভায় এমপি’র স্ত্রী, ইউএনও ও এসি ল্যান্ডকে বদলি ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ালো কাতার বাহুবল প্রেসক্লাবের সঙ্গে রেজা পত্নী সিমি কিবরিয়ার মতবিনিময় বর্তমান বাংলা’র চুনারঘাট প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আসাদ ঠাকুর যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে : প্রধান উপদেষ্টা চুনারুঘাটে সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক বিক্রেতাদের আটক বাহুবলে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে রাতভর অভিযান, যুবকের কারাদণ্ড

‘ভারতের সহযোগিতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ’

তরফ নিউজ ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভারতের সহযোগিতা ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিন কোটি মানুষ ঘর ছেড়েছিল। ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল এক কোটি মানুষ। কারণ ভারতের অবদান ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে ইহিতাস অসম্পূর্ণ।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতির ৪৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’- শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। আলোচনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনযুদ্ধ। এই যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক এখন অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে দু’দেশের সোনালি সম্পর্কের মধ্যেও কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক তৈরি না হয়, এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যেমন ১৯৯১ সালে ছিল, ভবিষ্যতেও সেই সম্পর্ক থাকবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, প্রতিবেশী প্রথম। আর প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর অবদান আমরা ভুলিনি। তার অবদানের কথা স্মরণ করে রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউকে ইন্দিরা গান্ধী রোড করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিচারপতি শামসুদ্দিন আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- মানবাধিকার নেত্রী অ্যারমা দত্ত, ব্রিটিশ মানবাধিকার নেতা জুলিয়ান ফ্রান্সিস।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com